• শনিবার ( রাত ৯:০৭ )
  • ২০শে জানুয়ারি ২০১৮ ইং
  • ২রা জমাদিউল-আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
  • ৭ই মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( শীতকাল )
MY SOFT IT

চা-পান নিয়ে ৭ ভুল ধারণা ও প্রকৃত সত্য

প্রাচীন পানীয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চা। চীনের চিকিৎসা শাস্ত্রে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীতে তা ধীরে ধীরে গণমানুষের পানীয়তে পরিণত হয়। জাপানে উদযাপিত হতো চা পান উৎসব।

সকালের আড়মোড়া ভেঙে এক কাপ চা দিয়েই শুরু হয় অনেকের দিন। ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ন– সবকিছুতেই চায়ের সমান সমাদর।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকলেও চা পান করা নিয়ে প্রচলিত রয়েছে বেশ কিছু ভুল ধারণা। জেনে নিন এমনই সাতটি ভুল ধারণা এবং প্রকৃত সত্য সম্পর্কে।

দুধ ও চিনি মেশালে চায়ের গুণাগুণ নষ্ট হয়: পলিফেনল পরিবারের কিছু উদ্ভিজ্জ উপাদানকে ফ্লেভনয়েড বলা হয়। এরা ঠিক পুষ্টি উপাদান নয়, কিন্তু এদের কিছু বিশেষ গুণ থাকার কারণে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিবেচনা করা হয়। যেমন জ্বালাপোড়া কমানো, ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা, ভাসকুলার ফাংশন ঠিক রাখা, এলডিএল কোলেস্টেরলের অক্সিডেশন মন্থর করা ইত্যাদি। এটা ধারণা করা হয় যে, দুধের প্রোটিনের কারণে ফ্লেভনয়েড-এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। আর এ কারণেই দুধ চা পান করলে ফ্লেভনয়েড কম পাওয়া যায়।

কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যে চায়ে দুধ যুক্ত হবার পরেও (২৫% পর্যন্ত) ফ্লেভনয়েড-এর উপস্থিতিতে কোনো প্রভাব পড়ে না, কিন্তু এর প্রভাবকে বিলম্বিত করে। অন্যদিকে, চায়ে দুধ মেশালে তা ফ্লেভনয়েড শোষণে কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে দুধ মেশানোর কারণে চায়ে ক্যালরির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাঁতেরও ক্ষতি করে।
গ্রিন টি বেশি স্বাস্থ্যসম্মত: মূলত গ্রিন টি এবং ব্ল্যাক টি একই গাছ থেকে আসে এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা দেয়। এই দুই ধরনের চায়ের সার্বিক ফ্লেভনয়েড-এর মাত্রা একই কিন্তু প্রকার ভিন্ন।গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রিন টি যেখানে ওজন কমানো ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে, সেখানে ব্ল্যাক টি কার্ডিওভাসকুলার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

প্রতিদিন ৫ কাপের বেশি চা পান করা উচিত না: একটি মেটা-অ্যানালাইসিসে দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ৩ বা আরো বেশি কাপ চা পান করা হার্টের জন্য উপকারী। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৮ কাপ পর্যন্ত চা পান করা নিরাপদ ক্যাফিন মাত্রার মধ্যে পড়ে। তবে দুধ চা বেশি না খাওয়াই ভালো।

চা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: এটা বলা হয় মূলত চায়ে উপস্থিত ক্যাফিনের কারণে। এমনিতে কফির তুলনায় চা পাতায় ক্যাফিনের পরিমাণ বেশি থাকে। কিন্তু প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতির কারণে ক্যাফিনের পরিমাণ কফির তুলনায় প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়। প্রতি ২০০ মিলি ব্ল্যাক টি-তে ৫০ মি.গ্রা. ক্যাফিন থাকে। গ্রিন টি-তে এই পরিমাণটা আরো কম। প্রতিদিন ১ থেকে ৮ কাপ চা পান করলে যে পরিমাণ ক্যাফিন শরীরে প্রবেশ করে তার মাত্রাটা নিরাপদ।

চা ‘মুড’কে প্রভাবিত করতে পারে না: চা পান করলে মন ভালো হয় কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা মুনির নানা মত! গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ে থিয়ানিন নামক এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা প্রশান্তি দিতে পারে। চায়ে যে পরিমিত পরিমাণ ক্যাফিন থাকে তা ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে এবং মেজাজ উৎফুল্ল করে তোলে।

চা পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে না: অন্যান্য পানীয়র মতো চা-ও শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন চার কাপ চা সমপরিমাণ পানির চাহিদা পূরণ করে থাকে।

চা ছোটদের জন্য নিরাপদ নয়: চিনি ছাড়া চা একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়। তাই ছোটদের জন্য তা মোটেও অনিরাপদ নয়। কানাডিয়ান বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪-৬ বছরের শিশুদের জন্য দিনে ৪৫ মিলিগ্রাম, ৭-৯ বছরের জন্য ৬২.৫ মিলিগ্রাম এবং ১০-১২ বছরের জন্য ৮৫ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যাফিন সেবনমাত্রা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। তার মানে হলো, একজন শিশু প্রতিদিন এক কাপ চা পান করতেই পারে।

Web design company Bangladesh

পুরাতন খবর

January 2018
SMTWTFS
« Dec  
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 

Related News

অ্যাপল কর্মীকে দলে টানলো গুগল

অ্যাপলের চিপ ডিজাইনার জন ব্রুনো-কে নিয়োগ দিয়েছে গুগল। ২০১২ সাল থেকে আইফোন চিপের নকশার কাজ করছিলেন জনপ্রিয় এই চিপ ...

বিস্তারিত

আসুসের নতুন গেইমিং ল্যাপটপ এখন বাঁজারে

দেশের বাজারে একটি গেমিং ল্যাপটপ উন্মুক্ত করেছে তাইওয়ানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসুস। আরওজি জেফ্রাস নামের এ ...

বিস্তারিত

ইউটিউব, ফেসবুক কি শক্তের ভক্ত?

সরাসরি সম্প্রচারের যুগে বিতর্কিত ভিডিওর বিরুদ্ধে ফেসবুক-ইউটিউব এত দিন মুখ বুজে ছিল। জঙ্গি, উগ্রবাদ, সহিংসতার ...

বিস্তারিত

ধুয়ে-মুছে সব করে নিন সাফ

মনিটরঈদের ছুটির চেকলিস্টে মুভি দেখাটা থাকেই। টিভির তুলনায় এখন কম্পিউটার মনিটরে সিনেমা দেখা হয় ...

বিস্তারিত