• বুধবার ( রাত ৮:৩৮ )
  • ১৭ই জানুয়ারি ২০১৮ ইং
  • ২৯শে রবিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী
  • ৪ঠা মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( শীতকাল )
MY SOFT IT

জননেত্রীর কারণেই বাংলাদেশ আজ ‘উন্নয়ন-বিস্ময়’

‘বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রামের ফসল হিসেবে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। কিন্তু, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়। কারণ, ঘাতকেরা জানত যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশেরই অপর নাম।

তারা এও জানত, একটি জাতিকে হত্যা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। তারা হয়ত সাড়ে সাত কোটি মানুষকে একসাথে হত্যা করতে পারবে না। কিন্তু, বঙ্গবন্ধু ছিলেন এমনই একজন নেতা যাকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে সমগ্র জাতির গলা টিপে ধরতে তারা সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা দেশের বাইরে অবস্থান করায় ঘাতকেরা তাঁদেরকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়।

বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ২১ বছর সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু, বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের প্রভাবে ২০০১ সালের নির্বাচনে সুক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পরাজিত করা হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা পুনরায় ১৯৭১ এর পরাজিত শক্তির হাতে চলে যায়।

চিহ্নিত, স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে তুলে দেয়া হয় রক্তের দামে কেনা লাল-সবুজের পতাকা। ২০০৬ সালে সুষ্ঠু নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে ওই অপশক্তি পুনরায় প্রহসনের নির্বাচনের পথে আগায় এবং ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত হত্যার রাজনীতির আশ্রয় নেয়। রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে অগণতান্ত্রিক শক্তি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে।

গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে গেলে তাঁকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়া হয়, এমনকি গ্রেফতারের হুমকি দেয়া হয়। কিন্তু, বঙ্গবন্ধুকন্যা সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশে ফিরে আসলে অগণতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী ওই অপশক্তি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে।

তারা ভেবেছিল জননেত্রীকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বাকরুদ্ধ করে দিবে। দীর্ঘ প্রায় ১১ (এগার) মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন, আজকের এই দিনে তুমুল গণআন্দোলনের মুখে তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। কারামুক্ত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির ম্যান্ডেট, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশঃরূপকল্প ২০২১’।

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আজ আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে পেরেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের কারণেই আজ বাংলাদেশ গোটা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আমরা ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের সুখী, সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।’

লেখক: জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

Web design company Bangladesh

পুরাতন খবর

January 2018
SMTWTFS
« Dec  
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 

Related News

রকেটে চড়ছে টেসলা গাড়ি

মঙ্গলের কক্ষপথে যাবে টেসলার একটি রোডস্টার গাড়ি। সম্প্রতি স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক বলেন ‘ফ্যালকন হেভি’ ...

বিস্তারিত

এ বছরের স্যান্টা ট্র্যাকার আনলো গুগল

বড়দিনের ছুটির দিনগুলোতে স্যান্টা ক্লজের বর্তমান অবস্থান ও গন্তব্যস্থল জানতে শিশুদের সহায়তা করতে এ বছরের ...

বিস্তারিত

মহাকাশকেন্দ্রে রাশিয়ার বিলাসবহুল হোটেল

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে বিলাসবহুল হোটেল বানানোর পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা ...

বিস্তারিত

তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মেলন জানুয়ারিতে

অনলাইন পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে দেশে ‘আনলিমিট কনফারেন্স’ র্শীষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ...

বিস্তারিত