• সোমবার ( রাত ৪:৪৭ )
  • ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং
  • ৩রা মুহাররম ১৪৩৯ হিজরী
  • ১০ই আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )
MY SOFT IT

ভূত আছে, কি নেই— উত্তর জানাল বিজ্ঞান

এই তত্ত্ব নিয়ে মানুষ মাথা ঘামিয়েছে সভ্যতার আদিকাল থেকে। মৃত্যুর পরে আত্মার অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকে কি থাকে না, তা নিয়ে দর্শনশাস্ত্র যতটা না ভেবেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ভেবেছেন ভৌতিক গল্পের রচয়িতারা। আর এই সব কাহিনির শ্রোতা-পাঠকও তাদের অবিশ্বাসকে মুলতুবি রেখে শুনে অথবা পড়ে গিয়েছে ভূতের গল্প যুগের পরে যুগ ধরে। কিন্তু গল্পের শেষে সেই প্রশ্নটাই উঠেছে— ভূত কি সত্যিই আছে?
নির্যস যুক্তিবাদী বিজ্ঞানমনস্করা সর্বদাই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভূতের অস্তিত্বে। তাঁরা বার বার বলেছেন, ভূত যে রয়েছে, তার প্রমাণ কোথায়? এর উত্তরে ভূতবাদীরা পাল্টা প্রশ্ন করেছেন— সে যে নেই, তার প্রমাণটাই বা কই? এহেন চাপান উতোরে কেটে গিয়েছে অনন্ত সময়। কিন্তু পরীক্ষাগারে বিস্তর সময় খরচা করে ভূতের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব প্রমাণের গুরুদায়িত্বটি পালনে আগ্রহ দেখাননি তেমন কেউ।
এই কাজেই এগিয়ে এসেছিলেন বিশ্বখ্যাত পদার্থবিদ ব্রায়ান কক্স। এই ইংরেজ পরমাণু বিজ্ঞানী টেলিভিশনে বিজ্ঞান-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের সূত্রে আবার তুমুল জনপ্রিয়। সম্প্রতি কক্স জানিয়েছেন, ভূতের অস্তিত্ব নেই। যদি তা থাকত, তা হলে বিশ্বের সবথেকে বড় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তা ধরা পড়তই। কী এই ‘সব থেকে বড় পরীক্ষা’? কক্স জানিয়েছেন, মানুষের মৃত্যুর পরে তার আত্মা কোথায় যায়, তা নিয়ে সভ্যতার উন্মেষের কাল থেকেই মানুষ সন্ধান চালিয়েছে। যদি তেমন কোনও ‘যাওয়ার জায়গা’ থাকত, তা হলে তা নিশ্চিতভাবেই বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র সার্ন-এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার-এ ধরা পড়ত।

লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার আসলে বিশ্বের বৃহত্তম আণবিক বিশ্লেষক। চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই যন্ত্র মাহাজগতের মৌলিক বস্তুসমূহকে বুঝতে যায়। এই বিশ্লেষণ থেকে আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান জগতের প্রতিটি এলিমেন্টকেই জানা বা বোঝা যায়। লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যে কোনও এনার্জিকেও বিশ্লেষণ করতে সমর্থ। কক্সের মতে, ভূত যদি থাকত, তবে তারা এনার্জি দিয়েই গঠিত হত। কারণ, আত্মা যে কোনও পদার্থ দিয়ে গঠিত নয়, তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না। অথচ থার্মোডাইনামিকস-এর দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী এনার্জি উত্তাপে লোপ পায়। একমাত্র যদি ভূতেরা এই সূত্রকে এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল জেনে তাকে, তা হলে কিছু বলার নেই। কিন্তু তা যদি না হয়ে থাকে, তা হলে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার তাদের খোঁজ পেতই।
সার্ন বা ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ-এর তরফে কক্স এক প্রকার ঘোষণাই করে দিয়েছেন— ভূতের অস্তিত্ব নেই।
কিন্তু যদি ভৌতিক এনার্জি তাপকে প্রতিহত করতে সমর্থ হয়? সেখানে কী হবে, তা কিন্তু কক্স বলেননি।

Web design company Bangladesh

পুরাতন খবর

September 2017
SMTWTFS
« Jun  
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930

Related News

৩০ কোটি টাকা খেলাপি কম্পিউটার সোর্স, সম্পত্তি নিলামে

প্রায় ৩০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের দায়ে দেশের অন্যতম তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য আমদানিকারক ও পরিবেশক প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ...

বিস্তারিত

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা সমৃদ্ধ করতে কর্মশালা

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে এবং একে সমৃদ্ধ করতে নেওয়া হয়েছে প্রকল্প। এখন সেই প্রকল্পের অধীনে ...

বিস্তারিত

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা অনুমোদন

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ ...

বিস্তারিত

সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার

চীনের সানওয়ে তাইহুলাইট ও তিহানে-২ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার হিসেবে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানের ...

বিস্তারিত