• শনিবার ( সন্ধ্যা ৬:১৭ )
  • ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং
  • ৭ই জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী
  • ১২ই ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( বসন্তকাল )
MY SOFT IT

মুদি দোকানি থেকে যেভাবে শীর্ষ ধনী ওয়ারেন বাফেট

ব্যবসাই ছিল ধ্যান-জ্ঞান। ছোটবেলা থেকেই মাথায় ঘুরতো কীভাবে টাকা কামানো আর সঞ্চয় করা যায়। ওয়ারেন বাফেট টাকা আয়ের জন্য বাড়ি বাড়ি চুইংগাম, কোল্ড ড্রিংকস এমনকি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনও বিক্রি শুরু করেন। আরও টাকা আয়ের জন্য দাদার মুদি দোকানে কাজ শুরু করেন তিনি। একদিকে দোকানে কাজ অন্যদিকে পত্রিকা হকারি, গলফ বল বিক্রি। সেই মুদি দোকানে কাজ করা ছেলেটিই আজকের পৃথিবীর ধনাঢ্য ব্যক্তিদের শিরোমণি ওয়ারেন বাফেট।

ওয়ারেন বাফেটের জন্ম আমেরিকার নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের ওমাহাতে ১৯৩০ সালে। তার বাবার নাম হাওয়ার্ড বাফেট ও মায়ের নাম লিলা বাফেট। তার পুরো নাম ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট। তিনি তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় রোজ হিল এলিমেন্টারি স্কুলে। ১৯৪২ সালে বাফেটের বাবা কংগ্রেসে নির্বাচিত হন এবং তারা সপরিবারে ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে আসেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাফেট অ্যালিস ডিল জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তি হন এবং উড্রো উইলসন হাই স্কুল থেকে পাস করেন।

অর্থ উপার্জন এবং সংগ্রহের প্রতি বাফেটের দুর্নিবার আকাক্সক্ষার পরিচয় পাওয়া গিয়েছিল শৈশবেই। ছোট থেকেই টাকা পয়সা রোজগারের চেষ্টা চালাতেন তিনি। ছোটবেলায় অল্প কিছুদিন বাফেট তার দাদার মুদি দোকানে কাজ করেছিলেন। শুধু তাই নয়- স্কুলে থাকাকালে বাফেট পত্রিকা, কোকাকোলা ইত্যাদি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন। শৈশবেই শেয়ার বাজার বিনিয়োগে আগ্রহ জন্মায় বাফেটের। দশ বছর বয়সে বাফেট নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ দেখার জন্য নিউ ইয়র্ক শহরে আসেন। তার জীবনের প্রথম তিনটি শেয়ার কেনেন ১১ বছর বয়সে। হাই স্কুলে থাকাকালে তিনি তার বাবার কিছু সম্পত্তি বিনিয়োগ করেন এবং একটি খামার কেনেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তিনি আয়কর রিটার্ন জমা দেন। সেখানে তিনি নিজেকে সংবাদপত্র বিলিকারী হিসেবে পরিচয় দেন।

১৯৪৫ সালের কথা। বাফেটের বয়স তখন মাত্র ১৫। হাই স্কুলের ছাত্র। ওই সময়ই তার এক বন্ধুর সঙ্গে ব্যবহার করা একটি পিনবল মেশিন কেনেন মাত্র ২৫ ডলারে। মেশিনটি বসানোর মতো জায়গা ছিল না তাদের। তারা এক নাপিতের দোকানের ভেতরে তা বসিয়ে দিলেন। এর মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তারা একই রকম তিনটি মেশিন বসান বিভিন্ন স্থানে। এভাবেই কৈশোর বয়স থেকেই ব্যবসায়ে জড়িয়ে পড়েন বাফেট।

১৯৪৭ সালে বাফেট ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়ায় ভর্তি হন। সেখানে তিনি প্রায় দুই বছর পড়াশোনা করেন। এরপর ইউনিভার্সিটি অফ নেব্রাস্কা -লিঙ্কন থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি কলাম্বিয়া বিজনেস স্কুলে ভর্তি হন। এখানে ভর্তি হওয়ার পেছনে বিশেষ একটি কারন ছিল। কলাম্বিয়া বিজনেস স্কুলে শিক্ষকতা করতেন বেঞ্জামিন গ্রাহাম- যিনি তৎকালীন সময়ে আমেরিকান ইনভেষ্টমেন্ট গুরু হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। বেঞ্জামিন গ্রাহামের লেখা ‘দি ইনট্যালিজেন্ট ইনভেষ্টর’ বইটির প্রচণ্ড ভক্ত ছিলেন বাফেট। শুধুমাত্র তার সান্নিধ্য পাওয়ার জন্যই স্নাতকত্তোর পর্যায়ে বাফেট ছুটে এসেছিলেন কলম্বিয়া বিজনেস স্কুলে। শুধু কি তাই? গ্রাহামকে আকৃষ্ট করার জন্য তার দি ইনট্যালিজেন্ট ইনভেষ্টর বইটি সম্পুর্ন মুখস্থ করে ফেলেছিলেন বাফেট। ১৯৫১ সালে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি লাভ করেন বাফেট।

১৯৫১ থেকে ’৫৪ পর্যন্ত বাফেট-ফক অ্যান্ড কোম্পানিতে ইনভেস্টম্যান সেলসম্যান হিসেবে চাকরি করেন। নিউ ইয়র্কে গ্রাহাম-নিউম্যান করপোরেশনে সিকিউরিটি এনালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৫৪ থেকে ’৫৬ পর্যন্ত। এছাড়া তিনি বাফেট পার্টনারশিপ লি., বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি করেছেন। এসমস্ত প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই এখন তার নিজের মালিকানাধীন।

নিজের চেষ্টা আর অধ্যাবসায়ের ফলস্বরূপ ১৯৬২ সালে বাফেট মিলিয়নিয়ারে পরিণত হন। বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে নামের একটি টেক্সটাইল কারখানার প্রতিটি শেয়ার তিনি ৭.৬০ ডলারে জনগণের মাঝে ছেড়ে দেন। এক পর্যায়ে ১৯৬৫ সালে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে কোম্পানি ১৪.৮৬ ডলার দেয়। এর মধ্যে ফ্যাক্টরি এবং সরঞ্জাম দেখানো হয়নি। এরপর তিনি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের নতুন প্রেসি ডেন্ট হিসেবে কেন চেস-এর নাম ঘোষণা করেন। ১৯৭০ সালে তিনি শেয়ার হোল্ডারদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত চিঠি লেখা শুরু করেন। শেয়রহোল্ডারদের কাছে এ চিঠি ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। এ সময় বেতন হিসেবে তিনি বছওে ৫০ হাজার ডলার পেতেন। ১৯৭৯ সালে তার বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে প্রতি শেয়ারের জন্য ৭৭৫ ডলার দিয়ে ব্যবসা করতে থাকে। এই শেয়ারের দাম ১৩১০ ডলার পর্যন্ত ওঠে। এ সময়ে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬২ কোটি ডলার। এর ফলে ফোবর্স ম্যাগাজিনে প্রথমবারের জন্য তিনি ফোবর্স ৪০০-তে স্থান পান।

বিল গেটসকে হটিয়ে শীর্ষে
২০০৮ সালে বাফেট বিশ্বজুড়ে চমক হিসেবে আবির্ভুত হন। তিনি মাইক্রোসফট গুরু বিল গেটসকে হটিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষে পরিণত হন। ফোবর্সের মতে তখন তার সম্পদের পরিমাণ ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। তবে ইয়াহু’র মতে তার তখনকার সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। এর আগে পর পর ১৩ বছর ফোবর্স ম্যাগাজিনের হিসাবে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ছিলেন বিল গেটস। এর পর ২০০৯ সালে গেটস তার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেন। দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন ওয়ারেন বাফেট। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ওয়ারেন বাফেট লোকসান করেছেন ১২০০ কোটি ডলার।

আমেরিকার বর্তমান প্রসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারণা ও ওবামার নির্বাচনী অর্থ সংগ্রহের কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন ওয়ারেন বাফেট। ২০০৮ সালে আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটে ওবামা ও তার প্রতিপক্ষ জন ম্যাককেইন উভয়ই বাফেটকে ভবিষ্যত সম্ভাব্য ট্রেজারি সেক্রেটারি বলে আখ্যায়িত করেন। তবে তৃতীয় ও শেষ ডিবেটে ওবামা তাকে একজন সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলে উল্লেখ করেন। তাছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার রিপাবলিকান গভর্নর আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের ২০০৩ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় বাফেট অর্থ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

ওয়ারেন বাফেট ১৯৫২ সালে সুসান থম্পসনকে বিয়ে করেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে- সুসান বাফেট, হাওয়ার্ড গ্রাহাম বাফেট এবং পিটার বাফেট। ২০০৪ সালের জুলাই মাসে বাফেটের স্ত্রী সুসান মারা যান। এর আগে ১৯৭৭ সাল থেকে তাদের বিচ্ছেদ না ঘটলেও তারা আলাদা বসবাস করতেন। তাদেও মেয়ে সুসান ওমাহাতে বসবাস করেন। তিনি সুসান এ. বাফেট ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সেবামূলক কাজ করেন। ওয়ারেন বাফেট ২০০৬ সালে ৭৬তম জন্মদিনে বিয়ে করেন তার দীর্ঘ দিনের সঙ্গী অ্যাস্ট্রিড মেনঙকে। ২০০৬ সালে ওয়ারেন বাফেটের বার্ষিক বেতন ছিল ১ লাখ ডলার। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তার বেতন বেড়ে হয় ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। ওমাহা এলাকার ডান্ডিতে তিনি ৩১ হাজার ৫০০ ডলার দিয়ে বর্তমান বাড়িটি কিনেছিলেন। এর বর্তমান দাম ৭ লাখ ডলার। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার লেগুনা বিচে রয়েছে তার ৪০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি।

বাফেট খুব ভাল তাস খেলতে জানেন। তাস খেলেন শ্যারন ওসবার্গ ও বিল গেটসের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা কাটে তার তাস খেলে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে খবর প্রকাশিত হয় যে, বাফেট কোন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তাছাড়া তার ডেস্কে নেই কোন কম্পিউটার। তার কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে এখন ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এসব কোম্পানির প্রধান নির্বাহী অফিসারকে তিনি বছরে মাত্র একটি চিঠি লেখেন। তাতে সারা বছরের কর্মকৌশল বলে দেয়া থাকে। নিয়মিত তাদেরকে নিয়ে তিনি মিটিং করেন না। এজন্য তার পরামর্শ হলো- ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত করুন। অর্থাৎ ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হলে তাকে কাজের কথা বলে দিতে হয় না। ওয়ারেন বাফেট তার নির্বাহীদের দু’টি মাত্র নিয়ম বলে দিয়েছেন। তার প্রথমটি হলো- শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ নষ্ট করো না। দ্বিতীয় নিয়মটি হলো- প্রথম নিয়মকে ভুলে যাবে না। লক্ষ্য স্থির করো এবং সেদিকে লোকের দৃষ্টি কাড়তে চেষ্টা করো।

ওয়ারেন বাফেট বর্তমানে ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার দান করেছেন বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায়। তারপরও তিনি ৪ হাজার কোটি ডলারের মালিক। এখন তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনেক বিশেষণ। অনেকে তাকে ‘মিরাকল অব ওমাহা’ নামে ডাকেন। এত বিত্তবৈভবের মালিক হয়েও তার মধ্যে নেই কোন বিলাসিতা। তার জীবনধারাকে স্পর্শ করেনি সমাজের উচ্চশ্রেণীর সামাজিকতা। তিনি নিজেই নিজের খাবার তৈরি করেন। কিছু পপকর্ন নিজেই প্রস্তুত করে খান এবং বাসায় বসে টেলিভিশন দেখেন। তার সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটসের পরিচয় হয় মাত্র ৫ বছর আগে। তখনও বিল গেটস জানতেন না যে, ওয়ারেনের সঙ্গে তার অনেকটাই মিল আছে। ফলে মাত্র আধা ঘণ্টা পর তিনি ওয়ারেনের সঙ্গে দেখা করেন। যখন ওয়ারেনের সঙ্গে তার দেখা হয় তা স্থায়ী হয়েছিল দশ ঘণ্টা। এর পর থেকেই তার ভক্ত হয়ে যান বিল গেটস। সত্যিকার অর্থেই বাফেট অত্যন্ত সাধারন মানের জীবন যাপন করেন।

৫০ বছর আগে বিয়ের পর ৩ বেডরুমের যে বাড়িটি কিনেছিলেন এখনও সেখানেই বাস করেন। এমনকি বাড়িটির চারপাশে নেই কোন আলাদা প্রাচীর। তিনি বলেন, আমার যা কিছু দরকার তার সবই আছে এখানে। বিশ্বের এত বড় ধনী, তার বাসার চারদিকে নেই কোন সীমানা প্রাচীর। এ বিষয়ে তার পরামর্শ হলো- প্রকৃতপক্ষে আপনার যতটুকু দরকার তার বেশি কিছু কিনবেন না। আপনার সন্তানদেরও এমনটা ভাবতে ও করতে শেখান। নিজের গাড়ি তিনি নিজেই চালান। তার আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেট কোম্পানি। কিন্তু ভ্রমণ করেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইকোনমিক ক্লাসে। অনেকেই ভাবতে পারেন, এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি তা প্রমাণ কওে দেখিয়েছেন।

বেশ কিছুদিন আগে তিনি সিএনবিসি-কে এক ঘণ্টার একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তুলে ধরেছেন জীবনের উত্থান কাহিনী। তার মতে, জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য নিজেকে আগে স্থির করতে হয় তার লক্ষ্য। তিনি এমনই এক লক্ষ্য নিয়ে মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রথম শেয়ার কিনেছিলেন। তারপরও তিনি মনে করেন এ ব্যবসায় আসতে তার অনেক দেরি হয়ে গেছে। আরও আগে ব্যবসা শুরু করা উচিত ছিল। তাই তার পরামর্শ আপনার সন্তানকে বিনিয়েগে উৎসাহিত করুন। সংবাদপত্র বিক্রি করা অর্থ দিয়ে তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে ছোট্ট একটি ফার্ম কেনেন। তার মতে, অল্প অল্প করে জমানো অর্থ দিয়ে যে কেউ কিনতে পারেন অনেক কিছু। সেজন্য সন্তানদের তিনি কোন না কোন ব্যবসায় নিয়োজিত করার পরামর্শ দেন।

Web design company Bangladesh

পুরাতন খবর

February 2018
SMTWTFS
« Jan  
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728 

Related News

রকেটে চড়ছে টেসলা গাড়ি

মঙ্গলের কক্ষপথে যাবে টেসলার একটি রোডস্টার গাড়ি। সম্প্রতি স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক বলেন ‘ফ্যালকন হেভি’ ...

বিস্তারিত

এ বছরের স্যান্টা ট্র্যাকার আনলো গুগল

বড়দিনের ছুটির দিনগুলোতে স্যান্টা ক্লজের বর্তমান অবস্থান ও গন্তব্যস্থল জানতে শিশুদের সহায়তা করতে এ বছরের ...

বিস্তারিত

মহাকাশকেন্দ্রে রাশিয়ার বিলাসবহুল হোটেল

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে বিলাসবহুল হোটেল বানানোর পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা ...

বিস্তারিত

তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মেলন জানুয়ারিতে

অনলাইন পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে দেশে ‘আনলিমিট কনফারেন্স’ র্শীষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ...

বিস্তারিত