• বুধবার ( সন্ধ্যা ৭:০৭ )
  • ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং
  • ৪ঠা জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী
  • ৯ই ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( বসন্তকাল )
MY SOFT IT

সার্ক স্যাটেলাইট সঙ্কটে ফেলেছে বাংলাদেশকে

ভারতের সার্ক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কারণে উভয় সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। কারণ ভারতের এই স্যাটেলাইটের জন্য বাংলাদেশের নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ব্যবসা করার সুযোগ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলছেন, তারা সার্ক স্যাটেলাইটের বিরুদ্ধে নন। কিন্তু এই দুটি স্যাটেলাইট ভিন্ন কক্ষপথে থাকলেও একই সার্ভিস এরিয়া হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সার্ক স্যাটেলাইটের সমর্থনের জন্য মে মাসের মাঝামাঝিতে একটি চিঠির মাধ্যমে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চিঠিটি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, আমরা সার্ক স্যাটেলাইটকে সমর্থন করি। কিন্তু আমাদের স্যাটেলাইটের সফলতার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করেছে। তাদের কাছ থেকে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি মন্ত্রিসভার মিটিংয়ে তুলে ধরা হবে।

বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, ভারত এর মধ্যেই কক্ষপথ স্লটের জন্য আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নে আবেদন করেছে। সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ এ ব্যাপারে ভারতকে সমর্থন করলে কক্ষপথে স্লট পাওয়া ভারতে জন্য সহজ হবে। এছাড়াও সার্কভুক্ত দেশগুলো ভারতকে সমর্থন না করলে এই স্যাটেলাইটের নাম সার্ক স্যাটেলাইট দেয়া যাবে না।

বিটিআরসি কর্মকর্তারা আরও জানান, ভারত তাদের পাঠানো প্রস্তাবে শ্রীলঙ্কা, ভুটান, মালদ্বীপ এবং নেপাল তাদের সমর্থনের কথা জানিয়েছে। তবে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের কাছ থেকে অসম্মতির বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীলঙ্গ বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সঙ্গে দেখা করে সার্ক স্যাটেলাইটের বিষয়ে আলোচনা করেন।

তাদের মিটিংয়ের পর শাহজাহান মাহমুদ বলেন, এর কারিগরি ও অন্যান্য বিষয় বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেষণ করছেন। এর পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

২০১৪ সালে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্ক সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সার্ক কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। ওই স্যাটেলাইট সার্ক দেশগুলোর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জরুরি যোগাযোগে ব্যবহার করা হবে। ১২ বছর লাইফটাইম সমৃদ্ধ ওই স্যাটেলাইটে থাকবে ১২ ট্রান্সপন্ডার, যা কেবল সার্কভুক্ত দেশগুলো কাভার করবে।

অপরদিকে বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ক্ষমতা সার্ক স্যাটেলাইটের চেয়ে অনেক বেশি হবে।
সূত্র: ইন্টারনেট।

Web design company Bangladesh

পুরাতন খবর

February 2018
SMTWTFS
« Jan  
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728 

Related News

মহাকাশকেন্দ্রে রাশিয়ার বিলাসবহুল হোটেল

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে বিলাসবহুল হোটেল বানানোর পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা ...

বিস্তারিত

২০১৭ সালের আলোচিত প্রযুক্তি

প্রযুক্তির উন্নয়ন ক্রমেই বাড়ছে। এই উন্নয়নের ধারা মূলত চলছে সময়োপযোগী করে। ২০১৭ সালে প্রযুক্তির উন্নয়নে ঘটেছে ...

বিস্তারিত

গুগল স্ট্রিট ভিউয়ের আদলে ছবি তুলবে ইনস্টা ৩৬০ প্রো

পথচলার সময়ই গুগল স্ট্রিট ভিউয়ের আদলে আশপাশের সব ছবি তুলবে ‘ইনস্টা ৩৬০ প্রো’ ক্যামেরা। ৩৬০ ডিগ্রিতে ৮কে ফরম্যাটে ...

বিস্তারিত

হার্ট হবে পাসওয়ার্ড!

ফেসিয়াল পিকনিক বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট কম্পিউটার আইডেনটিফিকেশন প্রযুক্তির কথা ভুলে যান। মার্কিন গবেষকেরা সম্প্রতি ...

বিস্তারিত